Logo
Logo
×

সারাদেশ

লালমনিরহাটে মুক্তিযুদ্ধের ম্যুরাল কাপড়ে ঢেকে দেওয়ায় প্রতিবাদ

Icon

লালমনিরহাট সংবাদদাতা

প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৫, ০৫:১৪ পিএম

লালমনিরহাটে মুক্তিযুদ্ধের ম্যুরাল কাপড়ে ঢেকে দেওয়ায় প্রতিবাদ

ছবি-সংগৃহীত

লালমনিরহাট শিশু পার্ক-সংলগ্ন মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি মঞ্চে স্থাপিত ম্যুরাল কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়ায় প্রতিবাদ করেছে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)। এর আগে গত ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসেও একই ঘটনা ঘটায় জেলা প্রশাসন। দ্বিতীয় বারের মতো এ ঘটনায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন সংগঠনটির সদস্যরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৬ মার্চ (বুধবার) সকালে সনাকের পক্ষ থেকে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিতে গেলে কাপড় দিয়ে ম্যুরাল ঢেকে রাখার বিষয়টি চোখে পড়ে। সদস্যরা এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে ফিরে যান। পরে লালমনিরহাট রেলওয়ে শহীদ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেন তারা।

সেখানে দীর্ঘ ওই ম্যুরালে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ৭ মার্চের ভাষণ, মুজিবনগর সরকার গঠন, চরমপত্র পাঠ, উদিত সূর্য, ৭১-এর গণহত্যা, মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানী, বিজয়ে উল্লাসে মুক্তিযোদ্ধারা, পতাকা হাতে বিজয়ে উচ্ছ্বসিত জনতা, ৭ বীরশ্রেষ্ঠ ও পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণের স্মৃতিচিহ্ন রয়েছে।

সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) লালমনিরহাট শাখার সহসভাপতি ও লালমনিরহাট উন্নয়ন আন্দোলন পরিষদের আহ্বায়ক সুপেন্দ্রনাথ দত্ত বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ ও অবদানে আমরা এ দেশ পেয়েছি। তাদের ইতিহাস ও স্মৃতিচিহ্ন ঢেকে দেওয়ার অর্থ হচ্ছে এ অবদান ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে অস্বীকার করা।

জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সুফী মোহাম্মদ বলেন, সারা বছর ম্যুরালটি সবার জন্য উন্মুক্ত রেখে বিশেষ বিশেষ দিনে কাপড় দিয়ে ঢেকে সার্কাস না করাই ভালো।

সনাকের জেলা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন (অব.) আজিজুল ইসলাম বীরপ্রতীক জানান, ওই ম্যুরালে বায়ান্ন থেকে '৭১ পর্যন্ত ধারাবাহিক ঘটনাবলির সংক্ষিপ্ত স্মৃতিচিহ্ন রয়েছে। কাপড় দিয়ে তা ঢেকে রাখার বিষয়টি মেনে নেওয়া যায় না।

জেলা প্রশাসক এইচএম রকিব হায়দার জানান, জুলাই বিপ্লবের চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ায় ম্যুরালটি কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। 

ইশা ফাউন্ডেশনের একটি প্রকাশনা

অনুসরণ করুন